কেশবপুর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে আলমগীর ছিদ্দিককে দেখতে চান এলাকার অনেক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলমগীর ছিদ্দিক ইতোমধ্যে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
করোনাকালীন সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। আজাদ ভাইয়ের সহায়তা ও নির্দেশনায় অসুস্থদের মাঝে গ্যাস সিলিন্ডার বিতরণের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেন আলমগীর ছিদ্দিক। সেই কঠিন সময়ে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি মানুষের কাছে প্রশংসিত হন।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি সক্রিয় ও সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন। তারেক রহমানের নির্দেশে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়ে নিশ্চিত জেল, পুলিশি নির্যাতন এবং হামলা-মামলার ঝুঁকি জেনেও তিনি সাহসিকতার সাথে মাঠে ছিলেন। একাধিকবার কারাবরণ করেছেন এবং জামিনের জন্য হাইকোর্টে দৌড়ঝাঁপ করতে হয়েছে। বর্তমান মন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতের সঙ্গেও তিনি সে সময় হাইকোর্টের বারান্দায় ঘুরেছেন বলে সহকর্মীরা জানান।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনেও তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে। কখনো ঢাকায়, কখনো খুলনায়, আবার কখনো যশোরে ছুটে বেড়িয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন তিনি।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, আলমগীর ছিদ্দিক দীর্ঘদিন ধরে আজাদ ভাইয়ের বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে কাজ করে আসছেন। তাদের বিশ্বাস, তিনি যদি কেশবপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন, তাহলে তার মধ্যে আজাদ ভাইয়ের আদর্শ ও নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি দেখা যাবে এবং পৌরবাসী কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন পাবে।
তাই আসন্ন নির্বাচনে কেশবপুর পৌরসভার মেয়র হিসেবে আলমগীর ছিদ্দিককে দেখতে চান এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা।